ঢাকা, ১৪ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

সন্তানকে আত্মনির্ভশীল করার উপায়

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest
খাবার

ছোট ছোট কাজ করতে দিয়ে ওর মধ্যে দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। আত্মবিশ্বাস জন্মানোর চেষ্টা করুন। জীবনে সফলতা পাওয়ার জন্য আত্মবিশ্বাসের প্রয়োজনীয়তা অনেক। আত্মবিশ্বাস ছাড়া কেউ সফলতার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছাতে পারে না। আর সে কারণেই আত্মবিশ্বাসী হয়ে গড়ে উঠতে হয় অনেক ছোট বয়স থেকেই।

শিশুরা আল্লাহ প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। পবিত্র কোরআনে তাদের জীবনের ঐশ্বর্য বলা হয়েছে। তাদের সুশিক্ষা দিয়ে ছোটবেলা থেকে গড়ে তোলা গেলে মৃত্যুর পরও এর সুফল পাওয়া যায়। মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়।

আর ছোট থেকেই আপনার সন্তানকে স্বপ্ন দেখতে শেখান। ছোট ছোট কাজ করতে দিয়ে ওর মধ্যে দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। আত্মবিশ্বাস জন্মানোর চেষ্টা করুন।

জীবনে সফলতা পাওয়ার জন্য আত্মবিশ্বাসের প্রয়োজনীয়তা অনেক। আত্মবিশ্বাস ছাড়া কেউ সফলতার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছাতে পারে না। আর সে কারণেই আত্মবিশ্বাসী হয়ে গড়ে উঠতে হয় অনেক ছোট বয়স থেকেই। জেনে নিন সন্তানকে কিভাবে আত্মনির্ভশীল হিসেবে গড়ে তুলবেন:

আলোচনা করুন : পরিবারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিশুর সঙ্গে আলোচনা করুন। তার দায়িত্বগুলো বুঝে নেয়ার জন্য তাকে ধীরে ধীরে তৈরি করুন।

নিজের কাজ নিজে করা : শিশুকে নিজের কাজ নিজে করার অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করুন। নিজের ঘর, বিছানা, কাপড়, বইখাতা ইত্যাদি গোছাতে বলতে পারেন।

গুছিয়ে কাজ করা : শিশুকে নির্দিষ্ট কিছু কাজের নির্দেশ দিয়ে কাজটা তার ওপরে ছেড়ে দিন। তাকে তার মতো গুছিয়ে কাজ করতে দিন। কাজ শেষ করতে সময় বেশি লাগলেও চিন্তার কিছু নেই।

পড়ালেখা : খেলতে যাওয়ার আগে শিশুকে হোমওয়ার্ক করতে দিতে পারেন। এতে সে খেলার আগে কাজকে গুরুত্ব দিতে শিখবে।

অযথা হস্তক্ষেপ নয় : সন্তানের সবকিছুতে অযথা হস্তক্ষেপ করবেন না। এতে সে কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে। তাকে নিজের মতো করে কাজ করার সুযোগ দিন।

তুলনা দেবেন না : শিশুকে অন্য কারও সঙ্গে তুলনা দিয়ে কথা বলবেন না। এতে সে নিজেকে অপরাধী ভাবতে শুরু করে। নিজের গুরুত্ব দিতে শেখে না।

নিজ হাতে খাওয়া : শিশুকে নিজ হাতে খেতে শেখান। এতে করে সে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে। তাকে খাবার অপচয় থেকেও বিরত থাকতে শেখান।

শিশুদের গল্প বলতে উৎসাহিত করুন : ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার মেডিকেল সেন্টারের মতে, গল্প বলা মানসিক চাপ কমায়, উদ্বেগ এবং বিষন্নতা দূর করতে সাহায্য করে।

বাচ্চারা তাদের নিজেদের গল্প বলতে গিয়ে তারা যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে বাবা-মা বা শিক্ষককে প্রবেশ করতে দেয়ার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে পারে। গল্প বলার মাধ্যমে বাচ্চারা তাদের সমস্যা সম্পর্কে কথা বলতে শেখে।

পছন্দের খাবার : বাইরে খেতে গেলে সন্তানের পছন্দের খাবার অর্ডার করতে পারেন। এতে সে নিজের পছন্দকে গুরুত্ব দিতে শিখবে। তবে অস্বাস্থ্যকর কোনো খাবার খেতে চাইলে নিষেধ করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *