ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার

যশোরের প্রতিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালে করোনা ফ্লোর করার সিদ্ধান্ত

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest

বর্তমানে যশোর জেলায় ৩১১৬ জন করেনার অ্যাক্টিভ রোগী রয়েছেন ৷ সদর পৌরসভার ভেতরে এদের সংখ্যা ৯৩২ জন ৷ এসময় করোনা রোগী বৃদ্ধির হার বিবেচনায় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ও বেসরকারি জনতা হাসপাতাল ছাড়াও আরো একশ’ শয্যা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর : যশোরে করোনা রোগীদের জন্য আরো ১টি শয্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে একটি করে ফ্লোর নির্ধারণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাছাড়া প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরো ৫টি করে শয্যা বৃদ্ধিরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বুধবার বিকেলে যশোর সার্কিট হাউজে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির বিশেষ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্জ এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর- ৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার ৷

জেলা প্রশাসক মোঃ তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, যশোর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আকতারুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, যশোর পৌরসভার মেয়র হায়দার গনি খান, যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্জ বলেন, জেলায় সর্বাত্মক লকডাউন বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করবে৷ যশোরের মানুষকে বাঁচাতে গণবিজ্ঞপ্তি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন৷

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার বলেন, মসজিদে ওয়াক্তিয়া নামাজে পাঁচজন ও জুম্মার নামাজে ২০ জনের মধ্যে সীমিত রেখে নামাজ আদায়ের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে ৷ এটি বাস্তবায়নের জন্য তিনি মসজিদ কমিটির কাছে অনুরোধ জানান ৷ এছাড়াও দলের নেতাকর্মীদেরও বিষয়টি মনিটরিং করার নির্দেশ দেন ৷

সিভিল সার্জন জানান, বর্তমানে যশোর জেলায় ৩১১৬ জন করেনার অ্যাক্টিভ রোগী রয়েছেন ৷ সদর পৌরসভার ভেতরে এদের সংখ্যা ৯৩২ জন ৷ এসময় করোনা রোগী বৃদ্ধির হার বিবেচনায় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ও বেসরকারি জনতা হাসপাতাল ছাড়াও আরো একশ’ শয্যা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷ এসময় বেসরকারি ক্লিনিক মালিক সমিতির সভাপতি ও সাথারণ সম্পাদককে আগামীকালের (বৃহসপতিবার) মধ্যে যশোরের সকল ক্লিনিকের বর্তমান অবস্থা প্রশাসনের কাছে দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয় ৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *