ঢাকা, ১৪ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

মুসলিমরাও আর দিদির পাশে নেই : মোদি

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী

সম্প্রতি আপনি বলেছেন, সব মুসলমান একজোট হও। ভোট যেন ভাগ না হয়। আপনি একথা বলছেন কারণ আপনি জানেন যে, মুসলিম ভোট ব্যাংককে আপনি নিজের শক্তি মনে করতেন তারাও আপনার হাত থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। মুসলমানও এখন ওর সঙ্গে নেই, বাংলায় দিদির হার নিশ্চিত।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরাও এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে নেই।

মঙ্গলবার রাজ্যে তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলাকালীন কোচবিহারে এক জনসভায় এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তিনি বলেছেন, সম্প্রতি আপনি বলেছেন, সব মুসলমান একজোট হও। ভোট যেন ভাগ না হয়। আপনি একথা বলছেন কারণ আপনি জানেন যে, মুসলিম ভোট ব্যাংককে আপনি নিজের শক্তি মনে করতেন তারাও আপনার হাত থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। মুসলমানও এখন ওর সঙ্গে নেই, বাংলায় দিদির হার নিশ্চিত।

ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বিজেপি যদি হিন্দুদের একজোট হতে বলতো তাহলে কমিশন এতক্ষণে ৮ – ১০টা নোটিশ পাঠিয়ে দিত। তিনি আরো বলেন, প্রথম দু’দফার ভোটগ্রহণে দিদির বিদায় নিশ্চিত। আজও ভাল ভোট হচ্ছে।

বাংলায় বিজেপির এমন ঢেউ উঠেছে যাতে দিদির গুন্ডা, দিদির ভয় পাড়ে লুটোপুটি খাচ্ছে। মোদি বলেন, দিদি প্রশ্ন করেছেন, বিজেপি ভগবান না কি? কী করে জানল যে তারা জিততে চলেছে’? মোদির জবাব, ভোটে কে জিতছে বুঝতে ভগবান হতে হয় না। জনতাকে দেখেই বোঝা যায় ফল কী পারে।

তারাই তো ঈশ্বরের রূপ। আপনার রাগ – ক্ষোভ- ব্যবহার – ভাষা দেখেই কোনও শিশুও বলে দেবে তৃণমূল হারছে। মমতাকে মোদির চ্যালেঞ্জ, আপনি হেরে গেছেন। ময়দানের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছেন। রোজ আপনাকে বলতে হচ্ছে নন্দীগ্রামে জিতবো।

নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে বসে আপনি যে খেলা খেলেছেন, সেদিনই গোটা দেশ বুঝে গিয়েছিল আপনি হারছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি এর উলটোটা হতো। যদি বিজেপি বলত যে সব হিন্দু একজোট হয়ে আমাদের ভোট দেও। তাহলে নির্বাচন কমিশন এতক্ষণে ৮ – ১০টা নোটিশ পাঠিয়ে দিত।

প্রধানমন্ত্রী, দলের সভাপতি, প্রার্থী সবার কাছে নোটিশ যেত। দেশ – বিদেশের সংবাদপত্রে শুধু এই খবরই থাকত। সম্পাদকীয় পাতায় এতক্ষণে আমাদের চুল ছিঁড়ে নিতেন সাংবাদিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *