ধূমকেতুবিডি

ছাড়া

ব্রণ দূর করবে যেসব খাবার

ধূমকেতু ডেস্ক : অনেকের ত্বকেই ব্রণ উঠতে দেখা যায়। এটি ত্বকের কমন সমস্যা হলেও খু্বই গুরুত্বপূর্ণ একটি সমস্যা। কেননা এই ছোট একটি ফোস্কা মুখের সৌন্দর্যটা নষ্ট করে দেয়। তাই ব্রণ সারাতে ত্বকের পরিচর্যার পাশাপাশি খাদ্যভ্যাসের উপরও নজর দিতে হবে। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো ব্রণ সারাতে ভালই সাহায্য করে, এই খাবারগুলো আপনার খাদ্য তালিকায় নিয়মিত রাখতে পারেন।

পানি ও শসা : ত্বক সুস্থ রাখতে প্রচুর পানি পান করতে হবে। দেহের অভ্যন্তরে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে পানি। আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে, পানির ঘাটতি মেটাতে শসার কিন্তু জুরি নেই। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’, পানি এবং অ্যামিনো এসিড, যা ত্বককে রাখে কোমল। পাশাপাশি ব্রণ প্রতিরোধ করে।

ভিটামিন ‘সি’ : ভিটামিন ‘সি’ ব্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী। উল্লেখযোগ্য ‘সি’-সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে লেবু, টমেটো, কমলালেবু। টমেটোতে বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণ ‘সি’ ও বায়োফ্লেভানয়ডেস যা ব্রণের সমস্যার সমাধানে কাজ করে।

সবুজ ও আঁশবহুল শাক-সবজি : ব্রোকলি, পালংশাক, লেটুস পাতা, মেথি শাক ইত্যাদিতে ফোলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন জাতীয় পুষ্টি রয়েছে, যা দেহে সামগ্রিক পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য দরকারি।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড : ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ত্বকের অন্যতম পুষ্টি হিসেবে কাজ করে। ত্বকের মধ্যে থেকে একটি স্বাস্থ্যকর আভা সরবরাহ করে। ওমেগা-৩ পাওয়া যায় সামুদ্রিক মাছ, বাদাম ইত্যাদিতে।

কুমড়ার বীজ : প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কুমড়ার বীজ যোগ করা হলে তা ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে। কুমড়ার বীজ জিংকসমৃদ্ধ। শুধু ত্বকের স্বাস্থ্যই ভালো রাখে না, বরং ব্রণের কারণে হওয়া লালচে ভাব, ব্যথা ও ফোলাভাব এবং দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এতে আছে ওমেগা থ্রি ও সিক্স ফ্যাটি এসিড।

পেঁপে : পেঁপের উজ্জ্বল কমলা রঙে আছে অত্যাবশ্যকীয় এনজাইম প্যাপাইন ও কায়ম্যাপোপেইন, যা ব্রণ কমাতে চমৎকার কাজ করে।

রসুন : রসুনে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট অ্যালিসিন নামের উপাদানে পূর্ণ, যা শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া ও ভাইরাসকে ধ্বংস করে।

এ ছাড়া লাল আঙুর, ব্রাউন রাইস, ভিটামিন ‘এ’ ও ‘ই’-সমৃদ্ধ খাবার ব্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

কিছু টিপস

১. তৈলাক্ত খাবার, চকোলেট, ঝাল, ভাজাপোড়া খাবার, আইসক্রিম ও অন্যান্য ফাস্ট ফুড পরিহার করতে হবে।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য ও পুষ্টিহীনতা থাকলে প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হতে হবে।

৩. ব্রণ হওয়ার আরেকটি বিশেষ কারণ ওজনাধিক্য। তাই অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে

৪. ত্বক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

৫. মুখের তৈলাক্ততা কমানোর জন্য পানির ঝাপটা দিতে হবে নিয়মিত।

৬. মুখে বা অন্য কোথাও ঘাম হলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন।

৭. রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে হবে। কারণ যিনি রাত জাগেন তাঁর হরমোনজনিত সমস্যা ছাড়াও হজমক্ষমতা, কিডনির অক্ষমতা ইত্যাদি লেগেই থাকবে। তাই রাতে দ্রত ঘুমিয়ে পড়ুন।

৮. মানসিক চাপ থেকে সদা মুক্ত থাকুন।

৮.মাথা খুশকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন ইত্যাদি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
error: Content is protected !!