ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার

বঙ্গবন্ধুর নীতিই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা মজবুত করেছে

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest
উপদেষ্ঠা

বঙ্গবন্ধু যে দূরদর্শিতায় ৫টি গ্যাস ক্ষেত্র ক্রয় করেছিলেন তার তৎকালীন ক্রয়মূল্য আর বর্তমান মূল্য তুলনা করলে দেখা যায় ২৩০০ গুণ বেশি। তিনি বলেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে নিজস্ব উদ্ভাবন শক্তি কাজে লাগাতে হবে।

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জ্বালানি নীতিই বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা মজবুত করেছে। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা গ্রামে বিদ্যুতায়নের সুষম উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি।

২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত: বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক দশক-শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তৌফিক ই ইলাহী বলেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ৯৫ ডলার যা তখন পাকিস্তানের মাথাপিছু আয়ের অর্ধেক। কিন্তু মাত্র সাড়ে তিন বছরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২৭৭ ডলারে উন্নিত করেন যা পাকিস্তানের চেয়ে বেশি।

বঙ্গবন্ধু যে দূরদর্শিতায় ৫টি গ্যাস ক্ষেত্র ক্রয় করেছিলেন তার তৎকালীন ক্রয়মূল্য আর বর্তমান মূল্য তুলনা করলে দেখা যায় ২৩০০ গুণ বেশি। তিনি বলেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে নিজস্ব উদ্ভাবন শক্তি কাজে লাগাতে হবে।

মানবিক দৃষ্টি সম্পন্ন উদ্ভাবন শক্তির প্রসারে নিয়ে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল আরো গবেষণা করতে পারে। গ্রিড এলাকায় শতভাগ মানুষ বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। দুর্গম পাহাড়ি ও বিচ্ছিন্ন চর ছাড়া সবাই বিদ্যুৎ পায়। মুজিববর্ষেই গ্রিড ও অফগ্রিড এলাকার সবাই বিদ্যুৎ পাবে।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ বান্ধব উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে রূপরেখা দিয়েছেন তার নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকেই যাচ্ছে। যার যার ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করলে ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ হবে সমৃদ্ধ উন্নত একটি দেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *