ঢাকা, ২০ জুন ২০২১, রবিবার

ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest
ত্বক

গোলাপ জলের সাথে শসার রস, লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন। ট্যান আক্রান্ত জায়গায় শীতল টুকরা প্রয়োগ করুন। লেবুর ব্লিচিং এফেক্টের সাথে মিলিত শসার শীতল বৈশিষ্ট্য ত্বকের অযাচিত ট্যান থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করবে।

সূর্যের কড়া তাপ আর এই কড়া রোদে ঘোরার সময় অনেকের ত্বকেই পড়ে কালো বা লালচে ছোপ। ফলে ট্যান রিমুভাল ফেসিয়াল করানোর কথা ভাবেন অনেকেই।

তবে এইসব রাসায়নিক জিনিস ব্যবহার করে পার্লারে ফেশিয়াল করানোর চেয়ে ভরসা রাখুন প্রাকৃতিক কিছু উপায়ে। হাত-পায়ের কালো দাগ, রোদে পোড়া ভাব বা ট্যান থেকে ত্বককে বাঁচাতে প্রাকৃতিক যত্নের কোনও বিকল্প হতে পারে না।

মুলতানি মাটি এবং রোজ ওয়াটার ফেস প্যাক : মুলতানি মাটির সাথে গোলাপ জল যোগ করে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। ত্বকের ট্যান দূর করতে আক্রান্ত স্থানে পেস্ট প্রয়োগ করুন এবং এটি শুকিয়ে গেলে পানি বা একটি হালকা ক্লিনজার দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুলতানি মাটি (ফুলার আর্থ নামেও পরিচিত)।

টমেটো এবং দইয়ের ফেস প্যাক : কাঁচা টমেটো পেস্ট করে তাতে দই মিশিয়ে নিন। ট্যানে এই পেস্টটি ব্যবহার করুন এবং ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। ট্যান সারাতে টমেটো যাদুর মতো কাজ করে। অন্যদিকে দইতে ল্যাকটিক অ্যাসিড রয়েছে যা ত্বককে নরম করে।

শসা এবং লেবুর ফেস প্যাক : গোলাপ জলের সাথে শসার রস, লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন। ট্যান আক্রান্ত জায়গায় শীতল টুকরা প্রয়োগ করুন। লেবুর ব্লিচিং এফেক্টের সাথে মিলিত শসার শীতল বৈশিষ্ট্য ত্বকের অযাচিত ট্যান থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করবে।

মসুর ডাল এবং মধুর ফেস প্যাক : ঘন পেস্ট তৈরির জন্য মশুরের ডাল মধু একসাথে সাথে মিশিয়ে নিন। ট্যান আক্রান্ত স্থানে লাগান এবং শুকানো পর্যন্ত কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মধুর সাথে মসুর ডাল প্রাকৃতিক ট্যান অপসারণ এজেন্ট হিসাবে কাজ করে।

নারকেল দুধের ফেস প্যাক : হালকা ক্লিনজার দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নারকেল দুধ ত্বকের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং হাইড্রেটিং। এটি ত্বকের হারানো আর্দ্রতা পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে। এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং হালকা অ্যাসিডগুলি ঘরে বসে ট্যান অপসারণে সহায়তা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *