ঢাকা, ২০ জুন ২০২১, রবিবার

টানা ৯ বার জার্মান লিগ চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest

৩৪ মিনিটে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ব্যবধান আরও বাড়ান লেভানদোভস্কি। ডান দিক থেকে সতীর্থের ক্রসে বল প্রতিপক্ষের মাথা ছুঁয়ে আরেকটু উঁচু হয়ে যায় পোলিশ তারকার কাছে। ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে বাতাসে শরীর রেখে সাইড ভলি শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল পাঠান জালে ৩-০।

ম্যাচ খেলতে নামার আগেই দল নিশ্চিতভাবে যদি জেনে যায় তাঁরা লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে, তখন খোলা মনে খেলতে নামলে কি হয় তা শনিবার বুন্দেসলিগা দেখলো।

টানা ৯ বার লিগ জয়ের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ছিল বায়ার্ন। বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ ছিল প্রতিপক্ষ। শনিবার বুন্দেসলিগার প্রথম ম্যাচে লাইপজিগ হেরে যাওয়ায় শিরোপা ধরে রাখার আনন্দ নিয়েই মাঠে নামে বায়ার্ন। টানা নবম ও সব মিলিয়ে রেকর্ড ৩১ বার জার্মানির শীর্ষ লিগে চ্যাম্পিয়ন হল মিউনিখের দলটি।

মাঠে নামার আগেই খেতাব নিশ্চিত হওয়ার খবর জে কোনও দলকে বাড়তি উৎসাহ যোগান দেয়। সেটাই হল বায়ার্নের। এমন উপলক্ষটা দারুণ এক জয়ে দিয়ে রঙিন করে রাখলো বায়ার্ন মিউনিখ। রবের্ত লেভানদোভস্কির হ্যাটট্রিকে বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখকে উড়িয়ে দিল বুন্ডেসলিগার রেকর্ড চ্যাম্পিয়নরা।

আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় শনিবার লিগ ম্যাচটি ৬-০ গোলে জিতে নিল বায়ার্ন । দলের হয়ে বাকি তিন গোলদাতা টমাস মুলার, কিংসলে কুমান ও লেরয় সানে। গত জানুয়ারিতে প্রথম সাক্ষাতকারে মনশেনগ্লাডবাখের মাঠে শুরুতে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের ব্যবধানে হেরেছিল বায়ার্ন।

সেই প্রতিপক্ষকে এবার গোল বন্যায় ভাসাল হান্স ফ্লিকের দল। গোল উৎসবের শুরু ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিট থেকেই। বাঁ থেকে দাভিদ আলাবার পাস ডি-বক্সে ডান দিকে পেয়ে কোনাকুনি শটে দলকে এগিয়ে নেন লেভানদোভস্কি (১-০)। ২৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মুলার, জার্মান ফরোয়ার্ডের নিচু শট একজনের পায়ে লেগে একটু উঁচু হয়ে জালে জড়ায়(২-০)।

৩৪ মিনিটে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ব্যবধান আরও বাড়ান লেভানদোভস্কি। ডান দিক থেকে সতীর্থের ক্রসে বল প্রতিপক্ষের মাথা ছুঁয়ে আরেকটু উঁচু হয়ে যায় পোলিশ তারকার কাছে। ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে বাতাসে শরীর রেখে সাইড ভলি শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল পাঠান জালে (৩-০)।

এরপর ৪৪ মিনিটে লেভানদোভস্কির থেকে পাস পেয়ে কোনাকুনি শটে স্কোরলাইন ৪-০ করেন কিংসলে কোমান। বিরতির আগেই জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় বায়ার্নের। ৬৫ মিনিটে পেনাল্টি কিকে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন লেভানদোভস্কি (৫-০)। ডি-বক্সে মনশেনগ্লাডবাখের ফ্লোরিয়ান নেহাসের হাতে বল লাগলে পেনাল্টিটি পায় বায়ার্ন।

এবারের লিগে লেভানদোভস্কির গোল হল– ৩৯টি। বাকি দুই ম্যাচে আর এক গোল করলে গতবারের বর্ষসেরা ফুটবলার স্পর্শ করবেন বুন্ডেসলিগায় জার্ড মুলারের একটি মরশুমে করা সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। ১৯৭১-৭২ মরশুমে ৪০ টি গোল করেছিলেন এই জার্মান কিংবদন্তি।

পঞ্চম গোলের ১০ মিনিট পর লাল কার্ড দেখেন বায়ার্নের তঁগি নিয়ানজু। ব্রিল এমবোলোকে ফাউল করায় ফরাসি এই ডিফেন্ডারকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন রেফারি। ভিএআরের সাহায্যে পরে দেখান লাল কার্ড। প্রতিপক্ষে এক জন কম থাকার সুযোগ অবশ্য নিতে পারেনি প্রতিপক্ষ। উল্টো ৮৫ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নিন বায়ার্নের সানে (৬-০)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *