ঢাকা, ২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার

ঝুঁকির মুখে বেনাপোল বন্দর ও কাস্টম হাউজ সংশ্লিষ্টরা

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest
বন্দর

বিধিনিষেধ ঘোষণার পরও করোনার ঝুঁকি মাথায় নিয়ে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের পাশে থেকে কাজ করছেন শ্রমিকসহ বন্দর ব্যবহারকারী ৫টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭ হাজার বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষ। এতে তাদের শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে বেনাপোলে আক্রান্তের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বেনাপোল, যশোর : বন্দরের পণ্য আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে বন্দরের শ্রমিক ছাড়াও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন কাস্টমস ও বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সিএন্ডএফ এজেন্ট মালিক-কর্মচারী,  ট্রান্সপোর্ট মালিক-শ্রমিক, ট্রাকের চালক ও সহকারীসহ প্রায় ৭-৮ হাজার বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন তারা। মহামারিকালে দ্রুত তাদেরকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা না হলে বন্দরের কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়তে পারে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকার বছরে বেনাপোল বন্দর থেকে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকেন। গত ১৯ জুন থেকে বেনাপোলে কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণার পরও করোনার ঝুঁকি মাথায় নিয়ে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের পাশে থেকে কাজ করছেন শ্রমিকসহ বন্দর ব্যবহারকারী ৫টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭ হাজার বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষ। এতে তাদের শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে বেনাপোলে আক্রান্তের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে।

 সিএন্ডএফ এজেন্টের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, বেনাপোল বন্দরে দুই দেশের পণ্য পরিবহনকারী ট্রাকচালক ও হেলপারদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা না থাকায় বেনাপোলে সংক্রমণ বেড়েছে। তিনি বলেন, ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকচালকরা সরাসরি প্রবেশ করছেন বেনাপোল বন্দরে। এ কারণে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কার্যকর করা জরুরি।

বন্দরের উপপরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে করোনা ভ্যারিয়েন্ট বেড়ে যাওয়ার কারণে সম্প্রতি বেনাপোল বন্দর এলাকায় সংক্রমণ একটু বেড়ে গেছে। বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারী সবাইকে টিকা প্রদান করার জন্য বন্দরের চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, বেনাপোল দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর। বন্দর ব্যবহারকারী সব সদস্যকে নিরাপদ রাখতে হবে। বন্দরে পণ্য খালাস প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সব সংগঠনের সদস্যসহ কাস্টমস এবং বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ টিকা প্রদানের আওতায় আনতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ে এটা করা সম্ভব হলে বেনাপোল বন্দর এলাকায় করোনা সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *