ঢাকা, ২০ জুন ২০২১, রবিবার

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ম্যানসিটি

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest
ক্লাব

ফাইনালে যেতে হলে একটা অসাধ্য সাধন করতে হবে পিএসজিকে। ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে কখনো জয় না পাওয়া পার্সিয়ানদের মাথায় ছিল ২-০ গোলে জয়ের খড়গ। সেই সঙ্গে এতিহাদের আবহাওয়াটা ছিল সফরকারীদের বিপক্ষে। তুষারপাতে গোটা মাঠে ছিল নজুক।

পিএসজির ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প নয়, ম্যানচেস্টার সিটি গড়ল ইতিহাস। প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিল ইংল্যান্ডের দলটি।

আগের লেগে এগিয়ে থাকায় ২ লেগ মিলিয়ে ৪-১ ব্যবধানে জয় পায় পেপ গার্দিওলার দল। চেলসি এবং রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার বিজয়ী দল হবে ফাইনালে সিটির প্রতিপক্ষ।

ফাইনালে যেতে হলে একটা অসাধ্য সাধন করতে হবে পিএসজিকে। ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে কখনো জয় না পাওয়া পার্সিয়ানদের মাথায় ছিল ২-০ গোলে জয়ের খড়গ। সেই সঙ্গে এতিহাদের আবহাওয়াটা ছিল সফরকারীদের বিপক্ষে। তুষারপাতে গোটা মাঠে ছিল নজুক।

পার্ক দেস প্রিন্সেসে পাওয়া ২-১ গোলের জয়টা এক রকম ফাইনালে নিয়ে রেখে ছিল গার্দিওলাকে। তাই ঘরের মাঠে আরো দুরন্ত সিটিজেনরা। প্যারিসের যেখানে শেষ করে ছিলেন, ম্যানচেস্টারে শুরুটা হলো সেখান থেকে।

আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা ইংলিশদের। ফলটা পেতে অপেক্ষায় থাকতে হয়নি বেশি সময়। পাথক্যটা ১-০ আর অ্যাগ্রিগেশন ৩-১ হয় ম্যাচের মাত্র ১১ মিনিটে। স্পট লাইট কেড়ে নেন রিয়াদ মাহারেজ। উৎসবের ঢল সিটিজেন শিবিরে।

এরপর আরও একটি দারুণ আক্রমণ ছিল স্বাগতিকদের। কিন্তু রক্ষণের দৃঢ়তায় রক্ষা পায় সফরকারীর। ম্যাচে ফিরতে আপ্রাণ চেষ্টা ছিল পিএসজির। কিন্তু স্প্যানিশ গুরুর পরিকল্পনার কাছে যেন ব্যর্থ হয়েছে সব। নেইমারের চেষ্টাগুলো যেন থমকে গেছে ডি-বক্সের বাইরেই।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে বাড়ে উত্তেজনা। সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে পচেত্তিনো শিষ্যরা। দলের অন্যতম বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পেকে থাকতে হয়েছে গ্যালারিতে বসে। গুরুর সব টোটকাই ব্যর্থ হয়েছে।।

উল্টো ৬৩ মিনিটে উৎসবের নগরী ম্যানচেস্টার। প্রথমে কেভিন ডি ব্রুইনার শট ফিরে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। আরো একবার সব আলো কেড়ে নেন রিয়াদ মাহরেজ। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান করেন ২-০। ততক্ষণে পিএসজির ফাইনাল খেলার স্বপ্ন অনেকটাই ধুলিশ্বাত।

৬৯ মিনিটে মেজাজ হারান ফরাসিদের আর্জেন্টাইন তারকা অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। প্রতিপক্ষ ফুটবলারকে আঘাত করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ১০ জনের দলে পরিণত হয় পিএসজি।

অবশ্য এই সুযোগটা আর কাজে লাগাতে পারেনি। ব্যবধানটা বাড়ানো হয়নি গার্দিওলা শিষ্যদের। শেষ পর্যন্ত ব্যবধানটা থাকে ২-০, যা অ্যাগ্রিগেশনে ৪-১।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *