ঢাকা, ২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার

গণতন্ত্রের নিরাপত্তায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest
বিএনপি নেতা

ক্ষমতাসীন সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো একের পর এক কালো আইন প্রণয়ন করে সংবাদপত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর খড়গ ঝুলিয়ে রেখেছে। বর্তমান দু:সময়ে সকল গণমাধ্যমের কর্মীদের শংকা ও ভয়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। সত্য কথা লিখতে গিয়ে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার, গুম ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।

ঢাকা : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অন্তর্নিহিত শক্তি। তাই গণতন্ত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।

১৫ জুন মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন চারটি বাদে সকল সংবাদপত্র বাদ দেয়ার দিবসকে স্মরণ করে তিনি এ বিবৃতি দেন।

আওয়ামী লীগ সরকার নতুন আঙ্গিকে তাদের একদলীয় শাসন ব্যবস্থার পুণ:প্রবর্তন করছে। সেই কারণে সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর অব্যাহত জুলুম চালাচ্ছে এবং হুমকির সর্বগ্রাসী কর্তৃত্ব কায়েম করেছে।

ফখরুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতাসীন সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো একের পর এক কালো আইন প্রণয়ন করে সংবাদপত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর খড়গ ঝুলিয়ে রেখেছে। বর্তমান দু:সময়ে সকল গণমাধ্যমের কর্মীদের শংকা ও ভয়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

সত্য কথা লিখতে গিয়ে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার, গুম ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। ‘৭৫ এর এই দিনের বিভিষিকা এখন ভিন্ন মাত্রায় দেশে বিরাজমান রয়েছে। সেইজন্য অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

বিবৃতিতে তিনি গণতন্ত্র পূণরুদ্ধারের জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অপর এক শোক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের দুঃশাসনের করাল গ্রাসে কারাগারে আটক বিএনপি নেতা-কর্মীরা প্রায়ই মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছেন, যা রহস্যজনক।

সরকারি নিপীড়ণের ফলে অসুস্থ বিএনপি নেতাকর্মীদের চিকিৎসায় কারাকর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও উদাসীনতার কারণেই বন্দিদশায় তারা পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *