ঢাকা, ২০ জুন ২০২১, রবিবার

করোনায় ভারতে অনাথ হয়েছে আরো প্রায় ৩১ হাজার শিশু

Facebook
WhatsApp
Twitter
Google+
Pinterest
ভারত

দেশে সবমিলিয়ে অনাথ হয়েছে ৩০ হাজার ৭১জন শিশু। যার মধ্যে মহামারিতে বাবা ও মা দুজনকেই হারিয়েছে ৩,৬২১ জন শিশু। ২৬,১৭৬ জন শিশু বাবা এবং মায়ের মধ্যে কোনো একজনকে হারিয়েছে। আর ২৭৪ জন পরিবার থেকে পরিত্যক্ত হয়েছে।

চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে ভারতের এনসিপিসিআর। তাদের তথ্যানুযায়ী, মহামারিতে অনাথ হয়েছে ৩০ হাজারেরও বেশি শিশু। আর এই তথ্যই বলে দিচ্ছে মহামারি কতটা ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলেছে ভারতে।

এনসিপিসিআর-এর দেয়া তথ্য বলছে, দেশে সবমিলিয়ে অনাথ হয়েছে ৩০ হাজার ৭১জন শিশু। যার মধ্যে মহামারিতে বাবা ও মা দুজনকেই হারিয়েছে ৩,৬২১ জন শিশু। ২৬,১৭৬ জন শিশু বাবা এবং মায়ের মধ্যে কোনো একজনকে হারিয়েছে। আর ২৭৪ জন পরিবার থেকে পরিত্যক্ত হয়েছে।

এনসিপিসিআর-এর তথ্য আরো থেকে জানা যায়, করোনায় সবথেকে বেশি অনাথ হয়েছে মহারাষ্ট্রের শিশুরা। ৭,০৮৪ জন এ রাজ্যে অনাথ হয়েছে। এছাড়া উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, বিহার এবং ওড়িশাতেও শিশুদের অনাথ হওয়ার সংখ্যাটা বিশাল।

ঠিক কতজন বালক-বালিকা অনাথ হয়েছে করোনার জেরে? সেই নিয়েও সবিস্তার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তথ্যানুযায়ী, অনাথ হওয়া শিশুদের মধ্যে বালকের সংখ্যা ১৫,৬২০ জন। ১৪,৪৪৭ বালিকা অনাথ হয়েছে করোনার জেরে। এবং ট্রান্সজেন্ডার সংখ্যা ৪ জন। অনাথ শিশুদের মধ্যে অর্ধেকেরই বয়স ১৫ বছরের নীচে।

৪ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে রয়েছে অর্ধেকের বেশি শিশু। করোনার ভয়াল রূপে ছারখার হয়ে গেছে গোটা ভারত। সাড়ে তিন লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু সংবাদ পাওয়া গেছে দেশটিতে। এর মধ্যে এই তথ্য আবার নতুন করে ভাবাচ্ছে গোটা ভারতকে। কেননা শিশুরাই তো এদেশের ভবিষ্যৎ।

তাদের দিকেই তো তাকিয়ে এই প্রজন্ম। কিন্তু সেই শিশুরাই যদি অকালে নিজের পরিবারকে হারায়, তাহলে তাদের পরিণতি কী হবে? যদিও ভবিষ্যতের কথা মাথা রেখে অনাথ শিশুদের জন্য সম্প্রতি বিশেষ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে ঘোষণা করা হয়, করোনা আক্রান্ত হয়ে যাদের বাবা-মা মারা গিয়েছে, সেসব শিশুরা যখন ১৮ বছরে পৌঁছবে তখন তাদের জন্য থাকবে ১০ লক্ষ টাকার তহবিল। তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হবে। ২৩ বছরে তারা এককালীন টাকাও পাবে।

সূত্র : কলকাতা ২৪।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *